×
হোম আন্তর্জাতিক জাতীয় খেলাধুলা জীবনযাপন চাকরির খবর তথ্যকোষ ই-ম্যাগাজিন
অনলাইন টুলস
টাইপিং টেস্ট CV মেকার ফটো রিসাইজার Age ক্যালকুলেটর AI কন্টেন্ট ডিটেক্টর প্লাজিয়ারিজম চেকার অন্যান্য টুলস লগইন

কয়েকটি ট্র্যাকস্যুট থেকে ইতিহাসের মোড়! যেভাবে মেসিকে হারায় নাইকি, জিতে যায় অ্যাডিডাস

বিদেশ বার্তা | ফুটবল | ১৪ জুলাই, ২০২৬
News Image
ফুটবল ইতিহাসে লিওনেল মেসি শুধু একজন কিংবদন্তি খেলোয়াড় নয়, বরং বিশ্ব ক্রীড়া বিপণনের অন্যতম বড় ব্র্যান্ড হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। তবে অনেকেই জানেন না, ক্যারিয়ারের শুরুতে মেসি ছিলেন নাইকির অ্যাথলেট। পরে কিছু ভুল সিদ্ধান্ত এবং সম্পর্কের অবনতির কারণে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্র্যান্ড অংশীদারত্বগুলোর একটি চলে যায় অ্যাডিডাসের ঝুলিতে।
২০০৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে বার্সেলোনার যুব একাডেমি লা মাসিয়ায় নিজের প্রতিভার ঝলক দেখাতে শুরু করেন মেসি। সে সময় নাইকি তাকে তুলনামূলক ছোট একটি স্পনসরশিপ চুক্তির আওতায় আনে। তখনও কেউ নিশ্চিত ছিল না যে, ক্ষুদে এই আর্জেন্টাইন একদিন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠবেন।
তবে মাত্র দুই বছরের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। ২০০৫ সালে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট জেতেন মেসি। একই সঙ্গে বার্সেলোনার মূল দলে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিতে শুরু করেন তিনি।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের দাবি, মেসির উত্থানের পরও নাইকি তার সঙ্গে নতুন ও আরও শক্তিশালী চুক্তি করতে দেরি করে। এ সময় মেসি পরিবারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কও আগের মতো ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে একটি গল্প প্রচলিত আছে যে, মেসির বাবা হোর্হে মেসির একটি ছোট অনুরোধ—পরিবারের জন্য অতিরিক্ত কিছু ট্র্যাকস্যুট—নাইকির পক্ষ থেকে গুরুত্ব পায়নি। যদিও এ ঘটনার পক্ষে শক্ত অফিসিয়াল প্রমাণ নেই, তবু এটি দুই পক্ষের দূরত্বের প্রতীকী উদাহরণ হিসেবে প্রায়ই উল্লেখ করা হয়।
এই সুযোগই কাজে লাগায় অ্যাডিডাস। তারা শুধু আর্থিকভাবে অনেক বড় প্রস্তাবই দেয়নি, বরং মেসিকে দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডের কেন্দ্রীয় মুখ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরে। শেষ পর্যন্ত মেসি অ্যাডিডাসের প্রস্তাবে সম্মতি দেন।
মেসিকে ধরে রাখার জন্য নাইকি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিল বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো বাধা ছাড়াই অ্যাডিডাসে যোগ দেন আর্জেন্টাইন তারকা।
পরবর্তী সময়ে এই সিদ্ধান্ত অ্যাডিডাসের জন্য বিশাল সাফল্যে পরিণত হয়। ছয়বার বিশ্বসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জয়ের সময় থেকে শুরু করে ২০২২ বিশ্বকাপ জয়—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অ্যাডিডাসের লোগোই দেখা গেছে মেসির পায়ে।
বর্তমানে মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি বিশ্ব ক্রীড়া বিপণনের অন্যতম শক্তিশালী ব্র্যান্ড। আর ফুটবল বিপণনের ইতিহাসে নাইকির অন্যতম বড় হার হিসেবে প্রায়ই উল্লেখ করা হয়—তারা সময়মতো চিনতে পারেনি সেই কিশোরকে, যিনি পরে হয়ে উঠেছেন ফুটবলের এক অমর কিংবদন্তি।
3 লাইক

আপনার মতামত দিন

মন্তব্য করতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।