নোবেল শান্তি পুরস্কার না পওয়া তবে কি রাজনৈতিক কারনেই? রাজনীতির শিকার হয়েছেন ট্রাম্প?
বিদেশ বার্তা | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর সাম্প্রতিক মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে। পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে নিজের সংশয় প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতো মানুষদের হয়তো তারা পুরস্কার দিতে চায় না।’ তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার পেছনে কি তবে রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করছে, নাকি আন্তর্জাতিক সংঘাত ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা মূল্যায়ন করতে ব্যার্থ হচ্ছে নোবেল কমেটি।
গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে তাঁর ভূমিকার জন্য এই পুরস্কার তাঁর প্রাপ্য। তবে পুরস্কার না পেলেও তিনি নিজের অবদানকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তাঁর বক্তব্যের মধ্যে পুরস্কার নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষের ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।
ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, নোবেল শান্তি পুরস্কারের ক্ষেত্রে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও পরিচয়কে সম্ভাব্য বাধা হিসেবে দেখছেন তিনি। তাঁর ধারণা, তাঁর মতো নেতাকে পুরস্কার দেওয়ার বিষয়ে নোবেল কমিটির অনীহা থাকতে পারে।
তবে এই বক্তব্যের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে ট্রাম্প রাজনৈতিক কারণে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। কারন নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ২০২৬ সালের শান্তি পুরস্কারের জন্য ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করার তথ্য জানিয়েছিল। কিন্তু কারা মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কারা চূড়ান্ত বিবেচনায় ছিলেন কিংবা কাদের বাদ দেওয়া হয়েছে—এসব তথ্য ৫০ বছর পর্যন্ত গোপন রাখার নিয়ম রয়েছে।
ফলে ট্রাম্প মনোনীত হয়েছিলেন কি না, কিংবা কমিটির আলোচনায় তাঁর অবস্থান কী ছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ নেই।
তথ্যসূত্র: রয়টার্সের ৭ অক্টোবরের প্রতিবেদন এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির আনুষ্ঠানিক তথ্য।